সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নে একটি ছোট্র নৌকা চুরির অভিযোগ এনে
এক যুবকের দুটি চোখ উপড়ে দেওয়া হয়েছে।
গত শনিবার (২৭ জুন) দিবাগত রাতে তোয়াকুল ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের মোস্তাকের বাড়ির পুকুর থেকে ছোট্র একটি নৌকা চুরি হয়। এরই ঝেরে
রবিবার (২৮ জুন) বিকাল ৫ টায় তোয়াকুল বাজারে মাছতরকারি ক্রয় করতে আসা তোয়াকুল ইউনিয়নের লাকী গ্রামের সোনাই মিয়ার ছেলে খালেদ আহমদ (২০)। এসময় তোয়াকুল ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে
মোস্তাক আহমদ, তোতা মিয়ার ছেলে পছাই মিয়া,ময়না মিয়ার ছেলে সেলিম আহমদ, নেছার আলীর ছেলে ফখরুল ইসলাম, আব্দুল জব্বারের ছেলে ইলিয়াস মিয়া, ইউসুফ আলীর ছেলে তোতা মিয়া এবং ইবই মিয়ার ছেলে সিরাজ উদ্দিন সংঘবদ্ধ
হয়ে খালেদ আহমদকে অপহরণ করে শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের বাড়িতে নিয়ে যান। এসময় তারা সংঘবদ্ধ ভাবে তাকে ব্যাপাক ভাবে শারীরিক নির্যাতন করে এক পর্যায়ে খালেদের দুটি চোখ উপড়ে ফেলেন। খালেদের অবস্থা আশংকাজনক হয়ে পড়লে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে রেখে পালিয়ে আসেন।তারা। খবর পেয়ে নির্যাতিত খালেদ আহমদের মা কুটনা বেগম খালেদকে ওসমানী মেডিকেল কলেজের ৭ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এ ব্যাপরে তোয়াকুল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য লোকমান আহমদ বলেন, খালেদ আহমদকে রবিবার বিকাল ৫ টার দিকে তোয়াকুল বাজার থেকে শাহপুর গ্রামের মোস্তাকের নেতৃত্বে অপহরণের খবর পাওয়া মাত্র তাকে ফোন দিয়ে খালেদকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে অনুরোধ করলেও তারা কথা শোনেনি।
এ ব্যাপারে তোয়াকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান বলেন
খালেদ আহমদকে রবিবার বিকাল ৫ টার দিকে তোয়াকুল বাজার থেকে শাহপুর গ্রামের কয়েকজন দূর্বৃত্ত অপহরণ করছেন বলে খবর পাই। এসময় তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় মেম্বার লোকমান আহমদকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাকে উদ্ধার করতে বলি।কিন্তু দূর্বৃত্তরা মেম্বার সাহেবের কথা শোনেনি।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নাঈমুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠাই। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত গোয়াইনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।