আলোকিত গোয়াইনঘাট :
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজে আর্থিক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মেসার্স আব্দুস সালাম এন্টারপ্রাইজ এর প্রোপাইটর ঠিকাদার আব্দুস সালাম মোর্শেদের বিরুদ্ধে।
জানাযায় ঠিকাদার সালাম, সাব-ঠিকাদার সুলতান আহমদের সাথে চুক্তি করে ৩৩ লাখ ৫২ হাজার ৪৮৫ টাকার কাজ করিয়ে বকেয়া পরিশোধ না করে লাপাত্তা হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সুলতান আহমদ।
সুত্র জানায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সেন্দ গ্রামের আব্দুস সালাম মোর্শেদ তার মালিকানাধীন মেসার্স আব্দুস সালাম ও ‘মেসার্স সিটি টেক ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিষ্ঠানের নামে গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ও কক্ষ নির্মাণের কাজ পান। সুলতান আহমদকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে লিখিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে উপজেলার বরইতলা, সাতকুড়িকান্দি, হাকুর বাজার, নিয়াগুল ও নন্দিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজগুলো সম্পন্ন করান।
সর্বশেষ গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে এনআরবিসি ব্যাংকের ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৮৮৫ টাকার একটি চেক প্রদান করলেও সুলতান আহমদ ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন, উক্ত টাকা সালাম আগেই কৌশলে উত্তোলন করে নিয়েছেন।
ভুক্তভোগী সুলতান আহমদ বলেন, “আমি বর্তমানে চরম আর্থিক সংকটে আছি। আমি শ্রমিকদের মজুরি ও মালামালের দাম পরিশোধ করতে পারছি না। বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও আমি কোনো সুরাহা পাচ্ছি না। মাঠে আমার আরও ৫ লক্ষ টাকার নির্মাণ সামগ্রী পড়ে আছে। আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি হাসিব আহামদের কাছে উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুলতান আহমদের সাথে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই, আব্দুস সালাম কে আমরা বিল পাশ করে দিয়েছি, সুলতান এবং সালামের মধ্যে তাদের চুক্তির বিষয় (অর্থাৎ সাব কন্টাকে) সুলতান আহমদ কাজ করেছেন। তারপরও আমি আব্দুস সালাম কে বারবার বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে তাগিদ করে আসছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার আব্দুস সালাম মোর্শেদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।