আলোকিত গোয়াইনঘাট :
শিক্ষার্থীদের আর্থিক লেনদেন আরও সহজ, নিরাপদ ও ডিজিটাল করার লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর ‘সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (SPG)’ সেবার আওতায় যুক্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজ। এখন থেকে কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের অনলাইন বেতন, ভর্তি ফি, পরীক্ষার ফিসহ যাবতীয় বিবিধ ফি ও চার্জ ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে সহজে পরিশোধ করতে পারবেন।
এ উপলক্ষে সোমবার (২৭ জুলাই) সোনালী ব্যাংক পিএলসি, গোয়াইনঘাট শাখা সিলেটের আয়োজনে গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজের সেমিনার কক্ষে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, সিলেট অঞ্চলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) হিমাংশু আচার্য্য।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে সোনালী ব্যাংক গোয়াইনঘাট শাখার প্রধান সুদীপ্ত চন্দ্র দাস বলেন, সোনালী ব্যাংকের বর্তমান স্লোগান ‘বিশ্বস্ত ও স্মার্ট’। এরই ধারাবাহিকতায় ব্যাংকটি ডিজিটালাইজেশনে ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করেছে। এখন থেকে এসপিজি (SPG) চুক্তির মাধ্যমে যেকোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবক ঘরে বসে যেকোনো সময় নগদ, বিকাশ, রকেট, সোনালী ই-ওয়ালেট বা ভিসা কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্টুডেন্ট আইডিতে কলেজের যাবতীয় পাওনা পরিশোধ করতে পারবেন। এর ফলে কলেজ কর্তৃপক্ষকে আর ক্যাশ ম্যানেজমেন্টের ঝামেলা পোহাতে হবে না, যা তাদের শ্রম ও সময় দুটোই সাশ্রয় করবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে, সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হিমাংশু আচার্য্য বলেন, আজকের এই চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে কলেজের সাথে সোনালী ব্যাংকের সম্পর্ক আরও জোরদার হলো। সোনালী ব্যাংক মানুষের আস্থার প্রতীক এবং আমরা সর্বোচ্চ সদিচ্ছা দিয়ে গ্রাহকদের সেরা ডিজিটাল সেবা দিতে বদ্ধপরিকর। শিক্ষার্থীরা সোনালী ব্যাংকে ‘স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট’ খুললে বিশেষ সুবিধা পাবে। এই অ্যাকাউন্টটি তারা সারাজীবন ব্যবহার করতে পারবে, এমনকি চাকরি জীবন শেষে পেনশন তোলার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও উপস্থিত শিক্ষক পরিষদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে কলেজের সার্বিক উন্নয়নে সোনালী ব্যাংকের ধারাবাহিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ তপনকৃষ্ণ দেব, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস, সিলেটের প্রিন্সিপাল অফিসার সুমন কান্তি দাসসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, কলেজের শিক্ষকবৃন্দ এবং ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে কলেজের পক্ষে অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান এবং সোনালী ব্যাংকের পক্ষে প্রিন্সিপাল অফিস সিলেটের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) হিমাংশু আচার্য্য নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।