আমার প্রাণের সিলেট-৪ আসনের সম্মানিত ভাইবোন, আমি আপনাদের সন্তান। এই মাটিতেই আমার জন্ম, এই মাটিতেই আমার বেড়ে ওঠা। শৈশবের উল্লাস, কৈশোরের উদ্দীপনা থেকে আজ পর্যন্ত আমি আছি এই মাটির সাথেই। এ মাটির কাদাজলে আমার শরীর, এ মাটির মানুষ আমার আপন—আমার সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না সবই এই মাটিতে গাঁথা।
জন্ম থেকে দেখে আসছি আমাদের অবহেলার ইতিহাস। যেন আমরা জন্মেছি বঞ্চিত আর লাঞ্ছিত হতে। কিন্তু আমি এই অবহেলার অবসান চাই। আমি চাই দুর্নীতির বিনাশ, লাঞ্চনার শেষ, এবং জনগণের প্রাপ্য অধিকার প্রতিষ্ঠা। আমাদের সন্তানরা যেন পায় সঠিক শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা, এবং চলার মতো পথ—এই আমার প্রত্যাশা।
নিজেদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আপনাদের সুখে হাসতে, দুঃখে কাঁদতে চাই। আমি বিশ্বাস করি—গোয়াইনঘাট, জৈন্তা, কোম্পানীগঞ্জের মানুষ আমাকে পাশে রাখবে, আমাকে সুযোগ দেবে আপনাদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে অংশ নিতে।
আমরা এক দেহের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকব, হাতে-হাত রেখে এগিয়ে যাব। আমাদের এ যাত্রা থামার নয়। কারণ হক ও হক্কানিয়তের আওয়াজ কখনো থামে না, থামানো যায় না।
আমি আশাবাদী—আলেম-উলামা অধ্যুষিত এই জনপদের মানুষ তা প্রমাণ করবে। তারা দেখিয়ে দেবে, আমরা এক অঞ্চলের মানুষ, এক দেহের মতো ঐক্যবদ্ধ। তারা আমাদের সরে তাজ আলেম সমাজের মুখ উজ্জ্বল করবে ইনশাআল্লাহ।
আমরা হারতে আসিনি, কারণ আমাদের অভিধানে হার শব্দটি নেই। যার সবকিছু আল্লাহর জন্য, তার আবার কিসের হার!
তাই দেরি কেন? আসুন, হাতে-হাত রেখে, কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাই—নিজেদের অধিকার ফিরে পেতে খেজুর গাছ প্রতীককে বিজয়ী করি। দেখা হবে, কথা হবে, নাসরুন মিনাল্লাহ।
